চাল রফতানিতে ভারতের রেকর্ড চাল রফতানিতে ভারতের রেকর্ড – Sabuj Bangla Tv
  1. shahinit.mail@gmail.com : admin :
  2. khandakarshahin@gmail.com : সবুজ বাংলা টিভি : সবুজ বাংলা টিভি
শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
নোটিশ-
বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন টিভি চ্যানেল সবুজবাংলা টিভি এর জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

চাল রফতানিতে ভারতের রেকর্ড

সবুজ বাংলা টিভি
  • প্রকাশ কাল | শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১
  • ২০৭ পাঠক

ভারত বিশ্বের শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশটির চাল রফতানির পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছিল। তবে ২০২০-২১ অর্থবছরে খাদ্যপণ্যটির রফতানি মাইলফলক ছুঁয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে গম রফতানিও।

গত বছর করোনা মহামারির শুরু থেকেই অন্যান্য দেশের মতো সংকটে পড়ে ভারত। সম্প্রতি দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তবে সংকট সত্ত্বেও চাল রফতানি রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌছেছে।

২০২০-২১ অর্থবছরে দেশটির চাল ও গম রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৮ লাখ টনে। দেশটির কৃষিভিত্তিক ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রফতানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এপিইডিএ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

দেশটির সরকারি একটি সূত্র বলছে, গত বছর মহামারি সত্ত্বেও চাল রফতানি খাতে কোনো রকম বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। মজুদের পরিমাণও ছিল পর্যাপ্ত। এ সময় উৎপাদিত চাল ও গমের উদ্বৃত্তের পরিমাণ ছিল আকাশছোঁয়া। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্যও ছিল আকর্ষণীয়। মূলত এসব কারণেই চাল ও গম রফতানির পরিমাণ বেড়ে যায়।

ভারতের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চাল রফতানি ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় দ্বিগুণ বেড়ে সর্বকালের শীর্ষে পৌঁছেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে চাল রফতানি করা হয়েছে ১ কোটি ৭৭ লাখ টন। আগের অর্থবছরে রফতানির পরিমাণ ছিল ৯৫ লাখ টন।

একইভাবে আকাশ ছুঁয়েছে গম রফতানিও। খাদ্যশস্যটির রফতানি বেড়ে ছয় বছরের শীর্ষে উঠে এসেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ভারত বিশ্ববাজারে সরবরাহ করেছে ২১ লাখ টন গম। ২০১৯-২০ অর্থবছরে রফতানির পরিমাণ ছিল মাত্র ২ লাখ ২০ হাজার টন।

ভারতের রফতানীকৃত চালের মধ্যে প্রসিদ্ধ একটি জাত বাসমতি। ২০২০-২১ অর্থবছরে জাতটি রফতানির পরিমাণ ৪ শতাংশ বেড়ে ৪৪ লাখ ৫০ হাজারে পৌঁছেছে। এছাড়া বাসমতি বাদে অন্যান্য জাতের চাল রফতানি ১৬০ শতাংশ বেড়েছে। এসব চাল রফতানির পরিমাণ বেড়ে ১ কোটি ৩০ লাখ ৯০ হাজার টনে পৌঁছেছে।

এপিইডিএ জানায়, বাসমতি বাদে অন্যান্য জাতের চাল থেকে রফতানি আয় এসেছে দ্বিগুণ। আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৮০ কোটি ডলারে, যা বাসমতি চাল থেকে পাওয়া আয়ের চেয়েও বেশি। তবে সুগন্ধি জাতের চাল থেকে রফতানি আয় ৭ শতাংশ কমে গেছে। এপিইডিএর চেয়ারম্যান এম আঙ্গামুথু বলেন, গম, নন-বাসমতি চাল ও অন্যান্য খাদ্যশস্যের চাহিদা আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দাম ভারতের খাদ্যশস্য বিশেষ করে গম রফতানি বৃদ্ধিতে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) গমের ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিমূল্য ১২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে যায়। এ চুক্তিতে পণ্যটির দাম বুশেলপ্রতি ৬ ডলার ১৮ সেন্টের কাছাকাছি পৌঁছে।

সিবিওটিতে ভারতীয় গমের চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয় টনপ্রতি ২৮০-২৮৫ ডলার। এর বিপরীতে অস্ট্রেলীয় গমের চুক্তিমূল্য ধরা হয় টনপ্রতি ২৯০-৩০০ ডলার এবং ইউক্রেনীয় গমের চুক্তিমূল্য ধরা হয় ২৭০-২৮০ ডলার। ভারতীয় গমের প্রধান গন্তব্য বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলংকা ও পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলো।

এম আঙ্গামুথু বলেন, লকডাউনের কারণে যাতে রফতানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করেছি। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো রফতানিকারকদের চলাচলসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিয়েছে। তবে করোনাকালেও পণ্যের সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রাখা হয়েছে। খবর দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস।

আমাদের সংবাদটি শেয়ার করুন..

এ পাতার আরও খবর

Sabuj Bangla Tv © All rights reserved- 2011| Developed By

Theme Customized BY WooHostBD