ডা. সাবেরা হত্যা: বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য ডা. সাবেরা হত্যা: বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য – Sabuj Bangla Tv
  1. shahinit.mail@gmail.com : admin :
  2. khandakarshahin@gmail.com : সবুজ বাংলা টিভি : সবুজ বাংলা টিভি
সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
নোটিশ-
বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন টিভি চ্যানেল সবুজবাংলা টিভি এর জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

ডা. সাবেরা হত্যা: বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

সবুজ বাংলা টিভি
  • প্রকাশ কাল | মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
  • ১৯৭ পাঠক

রাজধানীর কলাবাগানের একটি ফ্ল্যাট থেকে কাজী সাবেরা রহমান (৪৭) নামে ধানমন্ডির গ্রিন লাইফ হাসপাতালের রেডিওলোজি বিভাগের এক নারী চিকিৎসকের লাশ উদ্ধারের পর এ ঘটনাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার (৩১ মে) দুপুরে কলাবাগানের ৫০/১ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে ডা. সাবেরার মরদেহ উদ্ধার করে কলাবাগান থানা পুলিশ।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, রবিবার (২৯ মে) রাতের কোনও এক সময় সাবেরাকে হত্যা করা হয়। তাকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়। হত্যাকাণ্ডের আরও আলামত সংগ্রহ করছে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট।

ক্রাইম সিন ইউনিটের পরিদর্শক শেখ রাসেল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সাবেরার শ্বাসনালী কেটে ফেলা হয়েছে। তার দেহে পোড়া ক্ষত রয়েছে। রবিবার রাতে কোনও এক সময় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পুলিশ বলছে, ডা. সাবেরাকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি দুর্বৃত্তরা। তার লাশ পুড়িয়ে ফেলতে তোষকে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। সাবেরার লাশের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা নিশ্চিত হতে ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা আলামত সংগ্রহ করছেন। শিগগিরই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হবে বলে আশা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর শামসুদ্দীন আজাদের সঙ্গে ডা. সাবেরার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। সাবেরার প্রথম স্বামীও চিকিৎসক ছিলেন। সাবেরার দুই ছেলে-মেয়ের মধ্যে ছেলে আগের স্বামীর ঘরের।

সাবেরার মামাতো ভাই রেজাউল হাসান দুলাল জানিয়েছেন, সাবেরার এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে বড় ও মেয়ে ছোট। ছেলে বিবিএ পড়ে, মেয়ের বয়স ১০ বছর। সাবেরার স্বামী শামসুদ্দীন আজাদ এখানে থাকেন না। মনোমালিন্যের কারণে গত এক বছর ধরে আজাদ ও সাবেরা আলাদা থাকেন। তবে তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল এবং সম্পর্কও ভালো ছিল।

তিনি বলেন, ‘প্রথমে ভেবেছিলাম গ্যাসের সিলিন্ডার ব্লাস্ট হয়েছে। পরে এসে দেখি মরদেহ উপুড় হয়ে পড়ে আছে। ঘাড়ে ও পিঠে ক্ষতচিহ্ন। এ হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

সাবেরার খালাতো বোন জাকিয়া খন্দকার মমি বলেন, ‘আজকে (সোমবার) সাবিরার অফিস ছিল এবং বেশ কয়েকজনের সঙ্গে বাইরে যাওয়ার কথা ছিল। মেয়ে গতকাল (রবিবার) নানুর বাসায় গিয়েছিল। ছেলে নানুর বাসায় থাকে। আমার মনে হয় আশপাশের কেউ শত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যা করেছে।’

ডা. সাবেরার স্বামী শামসুদ্দীন আজাদ বলেন, ‘আমি বেলা ১১টার দিকে খবর পেয়ে এখানে আসি। পুলিশ প্রথমে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। পরে ভেতরে ঢুকে দেখি রক্তাক্ত লাশ। আমি কাউকে সন্দেহ করতে পারছি না। পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে আমি এর সঠিক বিচার চাই।’

সাবেরার কর্মস্থল গ্রিন লাইফ হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগের কম্পিউটার অপারেটর অমলা বিশ্বাস বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে তিনি (সাবেরা) খুব ভালো মানুষ ছিলেন। উনি আমাদের সঙ্গে ডাক্তার হিসেবে নয়, বন্ধুর মতো মিশতেন। খুব মিশুক ছিলেন। ছোটবড় সবাইকে খুব ভালোবাসতেন।’

এ বিষয়ে কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিতোষ চন্দ্র ঠাকুর বলেন, ‘তদন্ত চলছে। তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি নিয়ে গেছে। এখনও বলা যাচ্ছে না, কে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসবে।’

কলাবাগানের ৫০/১ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে সাবেরা নিজের কক্ষে একাই থাকতেন। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ জানায়, সাবেরার পিঠে ও গলায় জখমের চিহ্ন দেখা গেছে।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লাশ উদ্ধারের পরপরই বাসার সাবলেটের বাসিন্দা কানিজ সুবর্ণা, তার এক বন্ধু ও বাসার দারোয়ান রমজানকে ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়।

আমাদের সংবাদটি শেয়ার করুন..

এ পাতার আরও খবর

Sabuj Bangla Tv © All rights reserved- 2011| Developed By

Theme Customized BY WooHostBD