ঢাকা ০৮:২৭ পিএম, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এখন রোজা রাখি, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি : তানজিন তিশা

সবুজবাংলা টিভি ডটকম-
  • প্রকাশকাল ০৩:২২:৫৭ এএম, বুধবার, ১২ মে ২০২১ ২৮০ পাঠক
সবুজবাংলা টিভি এর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শোবিজের ​মানুষদের প্রতি ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন, ধর্মীয় আচরণ কেমন তাও জানতে চান অনেকে। তাদের জন্য এই রমজানে আমাদের আয়োজন তারকাদের রোজা রাখা, রোজার স্মৃতি ও নানা বিষয়৷

রোজা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র একটি ইবাদত। রমজানজুড়ে চলে এ ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা। এর যেমন আছে ধর্মীয় গুরুত্ব তেমনি এদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকেও মহিমান্বিত করেছে রমজান।

আমরা অনেকেই শৈশবের রোজা পালন নিয়ে নস্টালজিয়ায় ভুগে থাকি। অনেকে রোজা এলে নানা রকম উপলব্ধিও করি। তারকারাও তার ব্যতিক্রম নন। চলতি প্রজন্মের অভিনেত্রী তানজিন তিশা জানান তার রোজা পালন, রোজা নিয়ে শৈশবের স্মৃতি ও উপলব্ধির কথা।

জাগো নিউজ : প্রথম কবে রোজা রাখা হয়?
তিশা : মনে আছে ক্লাস ওয়ানে থাকতে প্রথম রোজা রাখি। তখন বুঝতাম যে রোজা রাখা হচ্ছে না ঠিকমতো। তবুও রাখতাম। শৈশবের একটা উত্তেজনা, ইমোশন কাজ করতো। বাট আমি পুরোপুরি রোজা রাখতে পেরেছি ক্লাস ফাইভ থেকে।

জাগো নিউজ : শৈশবের রোজা, ইফতার ও সাহরি নিয়ে অনেকেই নস্টালজিয়ায় ভোগেন। আপনার কি মজার কোনো স্মৃতি আছে?
তিশা : শৈশবের রোজা নিয়ে মজার একটা স্মৃতি খুব মনে পড়ে। চিপস খেয়ে রোজা রাখতাম তখন। বাবা-মা বলতেন যে হালকা স্ন্যাকস খেয়েও রোজা রাখা যায়। তুমিও হালকা কিছু খেতে পারো। আসলে তখন অনেক ছোট। রোজা ফরজ হয়নি। উল্টো রোজা রাখলে দুর্বল হয়ে পড়বো ভেবে বাবা-মা কৌশলে খাওয়াতেন। তো তাদের কথা শুনে চিপস খেতাম। সবকিছু থেকে লোভ সামলাতে পারলেও চিপস থেকে পারতাম না। তাই চিপস খেয়ে রোজা রাখতাম।

ছোটবেলায় সাহরিতে দেখা যেত যে উঠতে পারতাম না। তাই না খেয়েই রোজা রেখেছি অনেক। তাছাড়া সেই সময়টায় পরিবারের সবাইকে নিয়ে সাহরি ও ইফতার করার মজাটাও খুব মনে পড়ে। মিস করি সেসব দিন। আমি এখনো কাজ না থাকলে বাসায় সবার সঙ্গে ইফতার করি। আনন্দ পাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এখন রোজা রাখি, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি : তানজিন তিশা

প্রকাশকাল ০৩:২২:৫৭ এএম, বুধবার, ১২ মে ২০২১

শোবিজের ​মানুষদের প্রতি ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন, ধর্মীয় আচরণ কেমন তাও জানতে চান অনেকে। তাদের জন্য এই রমজানে আমাদের আয়োজন তারকাদের রোজা রাখা, রোজার স্মৃতি ও নানা বিষয়৷

রোজা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র একটি ইবাদত। রমজানজুড়ে চলে এ ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা। এর যেমন আছে ধর্মীয় গুরুত্ব তেমনি এদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকেও মহিমান্বিত করেছে রমজান।

আমরা অনেকেই শৈশবের রোজা পালন নিয়ে নস্টালজিয়ায় ভুগে থাকি। অনেকে রোজা এলে নানা রকম উপলব্ধিও করি। তারকারাও তার ব্যতিক্রম নন। চলতি প্রজন্মের অভিনেত্রী তানজিন তিশা জানান তার রোজা পালন, রোজা নিয়ে শৈশবের স্মৃতি ও উপলব্ধির কথা।

জাগো নিউজ : প্রথম কবে রোজা রাখা হয়?
তিশা : মনে আছে ক্লাস ওয়ানে থাকতে প্রথম রোজা রাখি। তখন বুঝতাম যে রোজা রাখা হচ্ছে না ঠিকমতো। তবুও রাখতাম। শৈশবের একটা উত্তেজনা, ইমোশন কাজ করতো। বাট আমি পুরোপুরি রোজা রাখতে পেরেছি ক্লাস ফাইভ থেকে।

জাগো নিউজ : শৈশবের রোজা, ইফতার ও সাহরি নিয়ে অনেকেই নস্টালজিয়ায় ভোগেন। আপনার কি মজার কোনো স্মৃতি আছে?
তিশা : শৈশবের রোজা নিয়ে মজার একটা স্মৃতি খুব মনে পড়ে। চিপস খেয়ে রোজা রাখতাম তখন। বাবা-মা বলতেন যে হালকা স্ন্যাকস খেয়েও রোজা রাখা যায়। তুমিও হালকা কিছু খেতে পারো। আসলে তখন অনেক ছোট। রোজা ফরজ হয়নি। উল্টো রোজা রাখলে দুর্বল হয়ে পড়বো ভেবে বাবা-মা কৌশলে খাওয়াতেন। তো তাদের কথা শুনে চিপস খেতাম। সবকিছু থেকে লোভ সামলাতে পারলেও চিপস থেকে পারতাম না। তাই চিপস খেয়ে রোজা রাখতাম।

ছোটবেলায় সাহরিতে দেখা যেত যে উঠতে পারতাম না। তাই না খেয়েই রোজা রেখেছি অনেক। তাছাড়া সেই সময়টায় পরিবারের সবাইকে নিয়ে সাহরি ও ইফতার করার মজাটাও খুব মনে পড়ে। মিস করি সেসব দিন। আমি এখনো কাজ না থাকলে বাসায় সবার সঙ্গে ইফতার করি। আনন্দ পাই।