ঢাকা ১২:১২ এএম, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনায় ক্ষমা চাইলো কানাডা

সবুজবাংলা টিভি ডটকম-
  • প্রকাশকাল ০১:৫৩:৪৭ পিএম, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১ ২৮২ পাঠক
সবুজবাংলা টিভি এর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ৬শ’র বেশি ইতালিয়ানকে আটক রাখার জন্য ৮ দশক পর আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে কানাডা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো হাউস অব কমন্সে দেয়া ভাষণে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের সদস্যদের ভোগান্তির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।

এসব পরিবারের প্রায় ৩১ হাজার সদস্য ‘শত্রুপক্ষীয়’ হিসেবে ঘোষিত হওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত।

ট্রুডো বলেন, ‘হাজার হাজার নিরীহ ইতালিয়ান কানাডিয়ান পূর্বসূরিদের লজ্জা ও ক্ষত নিয়ে শত্রুপক্ষীয় হিসেবে ঘোষিত হওয়ায় তাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের অতীতের লজ্জা বহন করছেন। এ সম্প্রদায় আমাদের দেশের জন্য অনেক কিছু দিয়েছেন। এ ঘটনার জন্য আমি দুঃখিত।’

জার্মানির মিত্র হিসেবে ১৯৪০ সালে ইতালি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ৬শ’র বেশি ইতালিয়ানকে কানাডার ক্যাম্পে আটক রাখা হয়। বর্তমানে দেশটিতে ১৬ লাখ ইতালিয়ান আমেরিকান রয়েছেন।

এদিকে পূর্ব আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায় ১৯৯৪ সালে চালানো গণহত্যার দায় দীর্ঘ ২৬ বছর পর স্বীকার করলো ফ্রান্স। একইসঙ্গে ওই গণহত্যার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন তিনি।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ মে) রুয়ান্ড সফরের সময় কিগালি জেনোসাইড মেমোরিয়ালে এক বক্তৃতায় গণহত্যার দায় স্বীকার করেন ম্যাক্রোঁ।

এসময় তিনি গণহত্যা চালানো রুয়ান্ডার তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দেয়া ও গণহত্যার আশঙ্কা সংক্রান্ত সতর্কতা পাওয়া সত্ত্বেও ফ্রান্স তা উপেক্ষা করেছিল বলে স্বীকার করেন।

বক্তৃতায় ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘আজ এখানে দাঁড়িয়ে, মানবিকতা ও সম্মানের সঙ্গে আপনাদের পাশে থেকে আমি আমাদের দায় স্বীকার করতে এসেছি। আমি স্বীকার করছি গণহত্যার হুঁশিয়ারিতে কান দেয়নি প্যারিস। তবে ওই গণহত্যায় কোনও ধরনের সহায়তাও করেনি ফ্রান্স। গণহত্যায় সহযোগিতা না করলেও রুয়ান্ডায় ফ্রান্সের রাজনৈতিক ভূমিকা ছিল।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনায় ক্ষমা চাইলো কানাডা

প্রকাশকাল ০১:৫৩:৪৭ পিএম, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ৬শ’র বেশি ইতালিয়ানকে আটক রাখার জন্য ৮ দশক পর আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে কানাডা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো হাউস অব কমন্সে দেয়া ভাষণে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের সদস্যদের ভোগান্তির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।

এসব পরিবারের প্রায় ৩১ হাজার সদস্য ‘শত্রুপক্ষীয়’ হিসেবে ঘোষিত হওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত।

ট্রুডো বলেন, ‘হাজার হাজার নিরীহ ইতালিয়ান কানাডিয়ান পূর্বসূরিদের লজ্জা ও ক্ষত নিয়ে শত্রুপক্ষীয় হিসেবে ঘোষিত হওয়ায় তাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের অতীতের লজ্জা বহন করছেন। এ সম্প্রদায় আমাদের দেশের জন্য অনেক কিছু দিয়েছেন। এ ঘটনার জন্য আমি দুঃখিত।’

জার্মানির মিত্র হিসেবে ১৯৪০ সালে ইতালি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ৬শ’র বেশি ইতালিয়ানকে কানাডার ক্যাম্পে আটক রাখা হয়। বর্তমানে দেশটিতে ১৬ লাখ ইতালিয়ান আমেরিকান রয়েছেন।

এদিকে পূর্ব আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায় ১৯৯৪ সালে চালানো গণহত্যার দায় দীর্ঘ ২৬ বছর পর স্বীকার করলো ফ্রান্স। একইসঙ্গে ওই গণহত্যার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন তিনি।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ মে) রুয়ান্ড সফরের সময় কিগালি জেনোসাইড মেমোরিয়ালে এক বক্তৃতায় গণহত্যার দায় স্বীকার করেন ম্যাক্রোঁ।

এসময় তিনি গণহত্যা চালানো রুয়ান্ডার তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দেয়া ও গণহত্যার আশঙ্কা সংক্রান্ত সতর্কতা পাওয়া সত্ত্বেও ফ্রান্স তা উপেক্ষা করেছিল বলে স্বীকার করেন।

বক্তৃতায় ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘আজ এখানে দাঁড়িয়ে, মানবিকতা ও সম্মানের সঙ্গে আপনাদের পাশে থেকে আমি আমাদের দায় স্বীকার করতে এসেছি। আমি স্বীকার করছি গণহত্যার হুঁশিয়ারিতে কান দেয়নি প্যারিস। তবে ওই গণহত্যায় কোনও ধরনের সহায়তাও করেনি ফ্রান্স। গণহত্যায় সহযোগিতা না করলেও রুয়ান্ডায় ফ্রান্সের রাজনৈতিক ভূমিকা ছিল।’