ঢাকা ০৮:৩২ পিএম, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গু রোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে: আতিক

সবুজবাংলা টিভি ডটকম-
  • প্রকাশকাল ০২:০৩:৩৮ পিএম, শুক্রবার, ৪ জুন ২০২১ ২৩৪ পাঠক
সবুজবাংলা টিভি এর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনীয়া প্রতিরোধে ১ জুন থেকে চিরুনী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, আর এ অভিযান আগামী ১২ জুন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) গুলশানের নগর ভবনে ডিএনসিসি ও রবির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ঢাকাকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ করে প্রাথমিকভাবে ১০০টি স্ট্রিটলাইট পোস্টে স্মার্ট নেটওয়ার্ক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এ সময় তিনি প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন, যানবাহন মনিটরিংয়ের জন্য স্মার্ট সিটি সার্ভিলেন্স, স্মার্ট সিটি ইন্টারনেট অব থিংস, স্মার্ট এনভায়রনমেন্ট, স্মার্ট স্ট্রিটলাইট পোস্ট, স্মার্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শব্দ দূষণ মনিটরিং, স্মার্ট পার্কিং ব্যবস্থাপনাসহ ছাত্র-ছাত্রীদের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রবির প্রতি আহবান জানান। এছাড়া অটোমেশনের মাধ্যমে নাগরিকরা যাতে ঘরে বসেই কর দিতে পারে সেক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে রবির প্রতি আহবান জানান।

আতিক বলেন, ঢাকা মহানগরীর প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৪৯ হাজার লোক বসবাস করে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সহজ উপায়ে বিশাল জনগোষ্ঠীর অপরিকল্পিত এই নগরীর নাগরিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই ডিএনসিসির পক্ষ থেকে চালু করা হয়েছে ‘সবার ঢাকা’ মোবাইল অ্যাপস।

তিনি বলেন ‘সবার ঢাকা’ মোবাইল অ্যাপসটি ব্যবহার করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত যেকোন নাগরিক অতি সহজেই এলাকার রাস্তা, মশক, সড়ক বাতি, আবর্জনা, জলাবদ্ধতা, পাবলিক টয়লেট, নর্দমা ও অবৈধ স্থাপনা এই আটটি বিষয়ে সরাসরি তার মতামত কিংবা অভিযোগ অতি সহজেই ডিএনসিসির কাছে তুলে ধরতে পারেন। অ্যাপসটির মাধ্যমে এ সংক্রান্ত অভিযোগ দাখিলের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তারা উক্ত সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন। এ পর্যন্ত সমাধানের হার প্রায় ৮৬ শতাংশ।

আতিক বলেন, ডিএনসিসির সবাই জবাবদিহিতার মধ্যে রয়েছে। সবাই মিলে সবার ঢাকা গড়তে হলে সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।

উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ডিএনসিসি বিভিন্ন জায়গায় খাল উদ্ধার ও পরিস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে, জনগণের সহায়তায় তা অব্যাহত থাকবে। কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী বলেই পহেলা জুন ঢাকায় দীর্ঘ সময় ধরে রেকর্ড ৮৫ মিলিমিটার পরিমাণ বৃষ্টিপাত হলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডেঙ্গু রোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে: আতিক

প্রকাশকাল ০২:০৩:৩৮ পিএম, শুক্রবার, ৪ জুন ২০২১

এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনীয়া প্রতিরোধে ১ জুন থেকে চিরুনী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, আর এ অভিযান আগামী ১২ জুন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) গুলশানের নগর ভবনে ডিএনসিসি ও রবির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ঢাকাকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ করে প্রাথমিকভাবে ১০০টি স্ট্রিটলাইট পোস্টে স্মার্ট নেটওয়ার্ক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এ সময় তিনি প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন, যানবাহন মনিটরিংয়ের জন্য স্মার্ট সিটি সার্ভিলেন্স, স্মার্ট সিটি ইন্টারনেট অব থিংস, স্মার্ট এনভায়রনমেন্ট, স্মার্ট স্ট্রিটলাইট পোস্ট, স্মার্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শব্দ দূষণ মনিটরিং, স্মার্ট পার্কিং ব্যবস্থাপনাসহ ছাত্র-ছাত্রীদের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রবির প্রতি আহবান জানান। এছাড়া অটোমেশনের মাধ্যমে নাগরিকরা যাতে ঘরে বসেই কর দিতে পারে সেক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে রবির প্রতি আহবান জানান।

আতিক বলেন, ঢাকা মহানগরীর প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৪৯ হাজার লোক বসবাস করে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সহজ উপায়ে বিশাল জনগোষ্ঠীর অপরিকল্পিত এই নগরীর নাগরিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই ডিএনসিসির পক্ষ থেকে চালু করা হয়েছে ‘সবার ঢাকা’ মোবাইল অ্যাপস।

তিনি বলেন ‘সবার ঢাকা’ মোবাইল অ্যাপসটি ব্যবহার করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত যেকোন নাগরিক অতি সহজেই এলাকার রাস্তা, মশক, সড়ক বাতি, আবর্জনা, জলাবদ্ধতা, পাবলিক টয়লেট, নর্দমা ও অবৈধ স্থাপনা এই আটটি বিষয়ে সরাসরি তার মতামত কিংবা অভিযোগ অতি সহজেই ডিএনসিসির কাছে তুলে ধরতে পারেন। অ্যাপসটির মাধ্যমে এ সংক্রান্ত অভিযোগ দাখিলের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তারা উক্ত সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন। এ পর্যন্ত সমাধানের হার প্রায় ৮৬ শতাংশ।

আতিক বলেন, ডিএনসিসির সবাই জবাবদিহিতার মধ্যে রয়েছে। সবাই মিলে সবার ঢাকা গড়তে হলে সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।

উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ডিএনসিসি বিভিন্ন জায়গায় খাল উদ্ধার ও পরিস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে, জনগণের সহায়তায় তা অব্যাহত থাকবে। কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী বলেই পহেলা জুন ঢাকায় দীর্ঘ সময় ধরে রেকর্ড ৮৫ মিলিমিটার পরিমাণ বৃষ্টিপাত হলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানান তিনি।