ঢাকা ০১:৪১ পিএম, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুরমা নদী ভাঙনে বিলীন জামে মসজিদ

সবুজবাংলা টিভি ডটকম-
  • প্রকাশকাল ০২:৩৪:৩৯ এএম, রবিবার, ৬ জুন ২০২১ ২৭৪ পাঠক
সবুজবাংলা টিভি এর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর ভাঙনে বিলীন নুরপুর গ্রামের জামে মসজিদ। গত শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজার ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদটি  সুরমার ভাঙনের কবলে পড়ে। ফলে নামাজ পড়ার সুযোগ না থাকায় বিপাকে মুসল্লিার।

নুরপুর গ্রামের বাসিন্ধা ও জেলা শ্রমিকলীগ নেতা সায়েম পাঠান জানান, এ মসজিদটি আমাদের গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও অনেক প্রাচীন। মসজিদেই গ্রামের অনেক মানুষ নামাজ পড়তেন কিন্তু হঠাৎ করে নদীর ভাঙনে মসজিদ তলিয়ে যাওয়ার কারণে বিপাকে অনেক মুসল্লিরা।

সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এনামুল হক পাঠান বলেন, গ্রামের মসজিদটি সুরমার ভাঙনে বিলীন প্রায়। গ্রামের একটি ছোট  মক্তবে নামাজ পড়তে হচ্ছে। সরকারের কাছে জোড়দাবি, গ্রামের মুসল্লিদের নামাজ পড়ার জন্য দ্রুত মসজিদ যেন নির্মাণ করে দেয়া হয়।

জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদ বলেন, জামালগঞ্জ উপজেলায় নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে গত মাসিক মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। আশা করি সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী সাবিবুর রহমান বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী প্রতিরক্ষা করার জন্য প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে। এবং অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সুরমা নদী ভাঙনে বিলীন জামে মসজিদ

প্রকাশকাল ০২:৩৪:৩৯ এএম, রবিবার, ৬ জুন ২০২১

সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর ভাঙনে বিলীন নুরপুর গ্রামের জামে মসজিদ। গত শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজার ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদটি  সুরমার ভাঙনের কবলে পড়ে। ফলে নামাজ পড়ার সুযোগ না থাকায় বিপাকে মুসল্লিার।

নুরপুর গ্রামের বাসিন্ধা ও জেলা শ্রমিকলীগ নেতা সায়েম পাঠান জানান, এ মসজিদটি আমাদের গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও অনেক প্রাচীন। মসজিদেই গ্রামের অনেক মানুষ নামাজ পড়তেন কিন্তু হঠাৎ করে নদীর ভাঙনে মসজিদ তলিয়ে যাওয়ার কারণে বিপাকে অনেক মুসল্লিরা।

সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এনামুল হক পাঠান বলেন, গ্রামের মসজিদটি সুরমার ভাঙনে বিলীন প্রায়। গ্রামের একটি ছোট  মক্তবে নামাজ পড়তে হচ্ছে। সরকারের কাছে জোড়দাবি, গ্রামের মুসল্লিদের নামাজ পড়ার জন্য দ্রুত মসজিদ যেন নির্মাণ করে দেয়া হয়।

জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদ বলেন, জামালগঞ্জ উপজেলায় নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে গত মাসিক মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। আশা করি সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী সাবিবুর রহমান বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী প্রতিরক্ষা করার জন্য প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে। এবং অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন আছে।