ঢাকা ১২:১৪ এএম, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কদমতলীর থ্রি মার্ডার: মেয়ে-জামাইয়ের নামে মামলা

সবুজবাংলা টিভি ডটকম-
  • প্রকাশকাল ০৩:৩৯:২২ এএম, সোমবার, ২১ জুন ২০২১ ২৪৮ পাঠক
সবুজবাংলা টিভি এর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে বাবা-মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় ওই পরিবারের মেয়ে মেহজাবিন মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ জুন) দিনগত রাতে নিহত মাসুদ রানার (৫০) বড় ভাই শাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে কদমতলী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর বলেন, বাবা-মা ও বোনকে হত্যার অভিযোগে মেহেজাবিন ও তার স্বামী শফিকুলের নামে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক মেহেজাবিনকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলার অপর আসামি শফিকুল ইসলাম এখন মিটফোর্ড হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন।
শনিবার সকালে খবর পেয়ে রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে বাবা-মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল (২০)। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অপর মেয়ে মেহজাবিন মুনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, মুন নিজেই এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।
মেহজাবিন মুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৮ জুন) দিনগত রাতের কোনো এক সময় খাবারের সঙ্গে পরিবারের সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ার মুন। মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধে সবাইকে অচেতন করে বাবা-মা ও বোনের হাত-পা বাধা হয়। এরপর শ্বাসরোধ করে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করেন মুন।
শনিবার (১৯ জুন) সকাল ৮ টায় খুনি মেহজাবিন মুন নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খুনের বিষয়টি জানায়। ফোনে তিনি পুলিশকে বলেন, আমি আমার বাবা, মা ও ছোট বোনকে খুন করেছি। আপনারা দ্রুত আসুন, আসতে দেরি করলে আমার স্বামী ও মেয়েকেও মেরে ফেলবো।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কদমতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি মরদেহ উদ্ধারসহ মুনকে আটক করা হয়। একইসঙ্গে মুনের স্বামী ও সন্তানকে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কদমতলীর থ্রি মার্ডার: মেয়ে-জামাইয়ের নামে মামলা

প্রকাশকাল ০৩:৩৯:২২ এএম, সোমবার, ২১ জুন ২০২১
রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে বাবা-মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় ওই পরিবারের মেয়ে মেহজাবিন মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ জুন) দিনগত রাতে নিহত মাসুদ রানার (৫০) বড় ভাই শাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে কদমতলী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর বলেন, বাবা-মা ও বোনকে হত্যার অভিযোগে মেহেজাবিন ও তার স্বামী শফিকুলের নামে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক মেহেজাবিনকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলার অপর আসামি শফিকুল ইসলাম এখন মিটফোর্ড হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন।
শনিবার সকালে খবর পেয়ে রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে বাবা-মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল (২০)। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অপর মেয়ে মেহজাবিন মুনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, মুন নিজেই এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।
মেহজাবিন মুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৮ জুন) দিনগত রাতের কোনো এক সময় খাবারের সঙ্গে পরিবারের সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ার মুন। মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধে সবাইকে অচেতন করে বাবা-মা ও বোনের হাত-পা বাধা হয়। এরপর শ্বাসরোধ করে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করেন মুন।
শনিবার (১৯ জুন) সকাল ৮ টায় খুনি মেহজাবিন মুন নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খুনের বিষয়টি জানায়। ফোনে তিনি পুলিশকে বলেন, আমি আমার বাবা, মা ও ছোট বোনকে খুন করেছি। আপনারা দ্রুত আসুন, আসতে দেরি করলে আমার স্বামী ও মেয়েকেও মেরে ফেলবো।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কদমতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি মরদেহ উদ্ধারসহ মুনকে আটক করা হয়। একইসঙ্গে মুনের স্বামী ও সন্তানকে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।