মদ্যপান না করলেও হতে পারে লিভার সিরোসিস মদ্যপান না করলেও হতে পারে লিভার সিরোসিস – Sabuj Bangla Tv
  1. shahinit.mail@gmail.com : admin :
  2. khandakarshahin@gmail.com : সবুজ বাংলা টিভি : সবুজ বাংলা টিভি
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

মদ্যপান না করলেও হতে পারে লিভার সিরোসিস

সবুজ বাংলা টিভি
  • প্রকাশ কাল | শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ৫০ পাঠক
মদ খেলে না কি লিভারের বারোটা বেজে যায়। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, যারা নন-অ্যালকোহলিক, তারাই বেশি লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হচ্ছেন! এ রোগের লক্ষণ বুঝবেন কেমন করে? কখন চিকিৎসা করানো উচিত? রইলো কিছু ধারণা।

অনেকেরই ধারণা রয়েছে, মদ্যপান করলেই লিভার সিরোসিস হয়। কিন্তু বর্তমানে নন অ্যালকোহলিক লিভার সিরোসিসে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে। এমনকী, আগামী ২০-২৫ বছরে সারা পৃথিবীতে নন অ্যালকোহলিক লিভার সিরোসিস অতিমারির আকার নিতে চলেছে বলে ধারণা চিকিৎসক মহলের। একইসঙ্গে রোগী এবং চিকিৎসকদের কাছেও এটি একটি চ্যালেঞ্জের কারণও বটে কারণ একাধারে যেমন এই রোগের চিকিৎসার কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই তেমনি এই রোগে মৃত্যু পর্যন্ত হানা দিতে পারে।
ক্রনিক লিভারের অসুখ থেকে লিভার সিরোসিস জন্ম নেয়। লিভারের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয় এই অসুখের প্রভাবে। অনেকেরই ধারণা, কেবল অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে এই অসুখ হতে পারে। কিন্তু সাম্প্রতিক হিসেব বলছে, মদ্যপান না করলেও লিভার সিরোসিসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আগামী দিনে শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে নয়, বাচ্চারাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মদ্যপান ছাড়াও প্রতি দিনের বেশ কিছু ভুল অভ্যাসের জেরেও এই অসুখ আক্রমণ করতে পারে। তবে সামান্য সতর্কতায় লিভার সিরোসিসের ঝুঁকিও এড়ানো সম্ভব।
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
প্রাথমিকভাবে শৈশব থেকেই সঠিক লাইফস্টাইলের অভ্যাস তৈরি করতে হবে। যার মধ্যে রয়েছে সঠিক খাদ্যাভাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, পরিমিত ঘুম। এছাড়াও ডায়েবেটিস, ডিসলেপিডেমিয়া ইত্যাদি মেটাবলিক রোগ থাকলে নিয়মিত সুগার, কোলেস্টেরল মাপতে হবে। ফ্যাটি লিভার থাকলেও খেয়াল রাখতে হবে। যাদের ওজন বেশি রয়েছে, কোনো ক্রনিক রোগ রয়েছে তাদের নিয়মিত চেক আপে থাকতে হবে। প্রত্যেক তিন থেকে ছয় মাস অন্তর ব্লাড টেস্ট করে লিভার ফাংশান পরীক্ষা এবং পেটের আলস্ট্রাসোনোগ্রাফি করতে হবে। তাহলেই প্রাথমিক পর্যায়ে লিভার সিরোসিস ধরা পড়তে পারে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যাটি লিভার ধরা পড়তে পারে যা থেকেই পরবর্তীকালে লিভার সিরোসিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
লিভার সিরোসিসে প্রথম দিকে রোগী কিছুই তেমন বুঝতে পারেন না। যদি না জন্ডিস বা এই ধরনের কোনো লিভারের অসুখ খুবই বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায়। সাধারণত লিভারর সিরোসিসের শেষের দিকেই জন্ডিস, কালো মল-সহ অন্যান্য উপসর্গ বোঝা যায়। নিয়মিত লিভার ফাংশান টেস্ট করানো উচিত। লিভারের কোনওরকম সমস্যা বুঝতে পারলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণত মধ্য বয়সিদের মধ্যে ফ্যাটি লিভার বেশি হয়। এক্ষেত্রে ঠিক সময়ে ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসা করলে লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি কমে যায়।

আমাদের সংবাদটি শেয়ার করুন..

এ পাতার আরও খবর

Categories

Sabuj Bangla Tv © All rights reserved- 2011| Developed By

Theme Customized BY WooHostBD