1. shahinit.mail@gmail.com : admin :
  2. khandakarshahin@gmail.com : সবুজ বাংলা টিভি : সবুজ বাংলা টিভি
  3. wpapitest@config.com : wpapitest :
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ-
বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন টিভি চ্যানেল সবুজবাংলা টিভি এর জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

নিখোঁজের ২২ বছর পর বাড়ি ফিরলেন আমেনা

সবুজ বাংলা টিভি
  • প্রকাশ কাল | মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৭৭ পাঠক

অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন আমেনা। দীর্ঘ ২২ বছর পর বিদেশ থেকে নিজ বাড়িতে ফিরেছেন বগুড়ার সেই আমেনা বেগম (৮০)।

দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ পর সোমবার বিকেলে আমেনা বেগম বাংলাদেশের নিজ ঠিকানায় পৌঁছেছেন।
সেই ১৯৯৯ সালে অভিমান করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন আমেনা বেগম। মাঝখানে কেটে গেছে প্রায় ২২ বছর। নিখোঁজ মাকে এতদিন মৃতই জানতেন তার সন্তান আর স্বজনরা।

সপ্তাহ কয়েক আগে আচমকা নিরুদ্দেশ আমিনা বেগমের সঙ্গে নেপাল থেকে ভিডিওকলে কথা হয় বগুড়ার ধুনট উপজেলায় থাকা তার সন্তানদের।
দুই দেশের কুটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার দেশে ফেরার কথা এই মায়ের প্রায় ২ যুগ পর মায়ের মুখ দেখার আনন্দে উদ্বেল সন্তান-স্বজনরাও।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধুনট উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের মাজবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা আমেনা বেগম স্বামী-সন্তানদের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে আর কোনো খোঁজ মেলেনি আমেনার। ৫৮ বছর বয়সে নিখোঁজ হওয়া আমেনাকে মৃতই ধরে নিয়েছিলেন স্বজনরা। সন্তানদের জাতীয় পরিচয়পত্রেও মাকে মৃত হিসেবেই উল্লেখ করেছেন তারা।
হঠাৎ করেই গত জুনে স্বজনরা খবর পান, আমেনা বেগম বেঁচে আছেন; নেপালের সানসুরি জেলার ইনারুয়া পৌরসভা এলাকা তার সন্ধান মিলেছে। এরপর ভিডিওকলে সন্তান-স্বজনদের সঙ্গে নেপাল থেকে কথাও বলেছেন তিনি।
আমেনা বেগমের নাতি আদিলুর রহমান আদিল পরিবর্তনকে জানান, তারা নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তার দাদির জীবিত থাকার খবর পেয়েছেন। পরে আমেনার বড় ছেলে আমজাদ হোসেন মায়ের সাথে ভিডিওকলে কথা বলেছেন। সোমবার বিকেলে আমেনা বেগমকে সন্তান আর নাতিরা তাকে বিমানন্দরে গ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, গত ৩০ মে ৮০ বছর বয়সী আমেনা বেগমকে নেপালের রাজধানী কাঠামুন্ডু থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দূরে সানসুরি জেলার ইনারুয়া পৌরসভা এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করেন পৌরকর্মীরা।
আমেনা প্রায় ১৫/২০ বছর ধরে ওই এলাকায় বাসাবাড়ি ও রেস্টুরেন্টে শ্রমিকের কাজ করতেন। বয়স বৃদ্ধি ও অসুস্থতায় কাজ না পেয়ে তিনি রাস্তা কিংবা মার্কেটে অবস্থান করছিলেন।
মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় তাকে ইনারুয়ার একটি সেভ হাউজে রাখেন পৌর মেয়র যমুনা পোখরেল। পরবর্তীতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা দীর্ঘসময় কথা বলার পর আমেনার বাড়ির ঠিকানা উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
ঠিকানা মাফিক খোঁজ নিয়ে আমেনার বর্ণনার সত্যতা পান তারা। এরপর তাকে দেশে ফেরত পাঠাতে প্রক্রিয়া শুরু হলেও নেপাল-বাংলাদেশে করোনাকালীন লকডাউন থাকায় খানিক বিলম্ব হয়েছে।

আমাদের সংবাদটি শেয়ার করুন..

এ পাতার আরও খবর

Sabuj Bangla Tv © All rights reserved- 2011| Developed By

Theme Customized BY WooHostBD