করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গতকাল রোববার ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ চালু হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে উড়ে গেছে।
মহামারির কারণে বাংলাদেশের ওপর অনেক দেশ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিলেও সম্প্রতি কয়েকটি দেশ তা প্রত্যাহার করেছে। এর মধ্যে কয়েকটি দেশ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে এবং অনেকে আবার ভ্রমণের ওপর কড়াকড়ি শিথিল করার কথা জানিয়েছে।
এয়ার বাবল চুক্তির ভিত্তিতে গতকাল থেকে ঢাকা-কলকাতা রুটে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। ঢাকা-দিল্লি রুটে বিমান চালু হবে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ছাড়াও বাংলাদেশের বেসরকারি উড়োজাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে তাদের ফ্লাইট সিডিউল ঘোষণা করেছে।
এছাড়া বাংলাদেশসহ অন্য দেশগুলোর জন্যও পর্যটন ছাড়া অন্য সব ভিসা চালু করেছে ভারত। গত শনিবার থেকে বাংলাদেশিদের জন্য তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের বিমান চলাচল আবার চালু হওয়ার কথা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে ঢাকাস্থ তুর্কী দূতাবাস।
এছাড়া, বাংলাদেশিদের জরুরিভিত্তিতে এবং সীমিত আকারে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়।
টাইমস অব ওমানসহ দেশটির স্থানীয় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের ওপর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ওমান।
গালফ নিউজের প্রতিবেদন বলা হয়, বাংলাদেশ ছাড়াও এ তালিকায় আরো রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপিন্স, তানজানিয়া, সুদান, ব্রাজিল, সিয়েরা লিওন, যুক্তরাজ্য, লেবাননসহ মোট ২৪টি দেশ। এদিকে, বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার জন্য সব ধরনের ভিসা খুলে দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আগেই তুলে নিয়েছে। তবে তারা বাংলাদেশকে এখনো লাল তালিকায় রেখেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে কেউ যুক্তরাজ্যে গেলে তাকে নিজ খরচে ব্রিটিশ সরকারের তালিকাভুক্ত হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।
এছাড়া বাংলাদেশ থেকে অনেক বেশি সংখ্যক যাত্রী যেসব দেশে যাওয়া আসা করে তার মধ্যে মালয়েশিয়ায় গত মে মাস থেকে বাংলাদেশিদের ওপর একটি ভ্রমণ বলবৎ আছে।