আবু ধাবিতে শনিবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৫১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন মুস্তাফিজ। রাজস্থানের ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রান দিয়েছেন তিনিই। ৪ ছক্কার সঙ্গে ৩ চার হজম করেছেন বাংলাদেশের এই পেসার।
ইনিংস শুরু করতে নেমে বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ৬০ বলে ৫ ছক্কা ও ৯ চারে ১০১ রানে অপরাজিত ছিলেন রুতুরাজ। শেষ দিকে ১৫ বলে ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন জাদেজা। চেন্নাই পায় ১৮৯ রানের বড় পুঁজি।
জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং নেওয়া রাজস্থান চতুর্থ ওভারে মুস্তাফিজকে আনে আক্রমণে। স্লোয়ার-কাটারের মিশ্রণে দারুণ বোলিংয়ে ফাফ দু প্লেসি ও রুতুরাজের বিপক্ষে দেননি তিনি কোনো বাউন্ডারি। ওভার থেকে আসে পাঁচটি সিঙ্গেল।
উইকেটের খোঁজে থাকা রাজস্থান পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আবারও বল তুলে দেয় মুস্তাফিজের হাতে। প্রথম তিন বলে কেবল দুই রান দেন তিনি। চতুর্থ বলটি করেছিলেন কাটার। বল আগেই বুঝে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে লং অন দিয়ে ছক্কায় ওড়ান দু প্লেসি। পরের দুই বলে আরও দুটি সিঙ্গেলে ১০ রান দিয়ে শেষ হয় তার দ্বিতীয় ওভার।
২৫ রান করা দু প্লেসির বিদায়ের পর সুরেশ রায়নাও টিকেননি বেশিক্ষণ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে দলের রান বাড়াতে থাকেন রুতুরাজ। ৪৩ বলে তুলে নেন ফিফটি।
একটি করে ছক্কা-চারে মইন আলি ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। তিনজনেই রাহুল তেওয়াতিয়ার শিকার। আম্বাতি রায়ডুকে দুই অঙ্কে যেতে দেননি চেতন সাকারিয়া।
দল উইকেট হারালেও নিজের মতো খেলে যান রুতুরাজ। ফিফটির পর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি। তেওয়াতিয়াকে টানা দুই ছক্কা মারেন। আকাশ সিংকে টানা তিন বলে মারেন দুই চার ও এক ছক্কা।
১৮তম ওভারে আক্রমণে আসা মুস্তাফিজকে প্রথম বলেই ওড়ান ছক্কায়, শর্ট বলে পুল করে ডিপ মিডউইকেট দিয়ে। জাদেজা এই পেসারকে মারেন একটি বাউন্ডারি। ওভার শেষ করেন তিনি ১৪ রান দিয়ে।
ইনিংসের শেষ ওভারে মুস্তাফিজকে প্রথম দুই বলে চার ও ছক্কা মারেন জাদেজা। তৃতীয় বল ওয়াইড দিয়ে পরের বলে আবারও বাউন্ডারি হজম করেন এই পেসার।
৯৫ রানে থাকা রুতুরাজ শেষ দুই বলে স্ট্রাইক পান। প্রথম বলটি দারুণ এক বাউন্সারে তাকে পরাস্ত করেন মুস্তাফিজ। কিন্তু ছন্দে থাকা রুতুরাজের সেঞ্চুরি থামাতে পারেনি তিনি। শেষ বলে তাকে মিডউইকেট দিয়ে বিশাল ছক্কায় কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কে পা রাখেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। মুস্তাফিজ ওই ওভারে দেন ২২ রান।
মুখোমুখি হওয়া শেষ ৩০ বলে ৭১ রান নিয়ে রুতুরাজ তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের তার প্রথম সেঞ্চুরি।