চাকতি করে কাটা শসা পানিতে ভিজিয়ে তৈরি হয় শসাপানি। সাধারণ পানির মতো হলেও এতে বাড়তি পুষ্টিগুণ যোগ হয়।
এতে যেমন ভিন্ন স্বাদ, তেমনি রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা।
ত্বকের যত্ন
শসায় রয়েছে বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা দেহের ক্ষতিকর উপাদান দূর করে। নিয়মিত শসাপানি পান করলে বলিরেখা, ব্রণ ও র্যাশ কমে আসে। ত্বক থাকে টানটান ও উজ্জ্বল।
ওজন নিয়ন্ত্রণ
শসা ক্ষুধা মেটাতে সহায়ক। শসাপানি খাবারের আগেই পান করলে অযথা বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা
শসাপানির পটাসিয়াম শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য রক্ষা করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও করোনারি রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।
হাড়ের স্বাস্থ্য
শসাপানির সিলিকা ও ম্যাঙ্গানিজ হাড় মজবুত করতে কার্যকর। শিশুদের হাড় গঠনে এটি বিশেষভাবে সহায়ক, বয়স বাড়লেও হাড়ের ঘনত্ব অটুট রাখে।
ক্যানসার প্রতিরোধ
শসার কিউকারবিটাসিন নামক উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষণা বলছে, এটি প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
দেহের দূষণ প্রতিরোধ
শসাপানি দেহকে ডিটক্সিফাই করে। মূত্রের মাধ্যমে বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়, ফলে বিপাকক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়।
পেশি গঠনে সহায়ক
শসার সিলিকা দেহের কানেকটিভ টিস্যুকে শক্ত করে। এটি পেশি গঠনে ও শরীরকে সবল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।