চার বছর পর আবার মাঠে গড়াল জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। সারা দেশে ফুটবলকে নতুনভাবে জাগিয়ে তুলতে ১৮ কোটি টাকার বাজেটে আয়োজিত এই আসর শুরু হয়েছে আজ শনিবার মুন্সিগঞ্জের শহীদ মীর মুগ্ধ স্টেডিয়ামে।
উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক মুন্সিগঞ্জ জেলা ২-১ গোলে হারিয়েছে মাদারীপুরকে। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে সমতা বিরাজ করলেও শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে স্বাগতিকদের জয় নিশ্চিত করে মুন্সিগঞ্জ।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল উদ্বোধনী আসরে উপস্থিত থেকে বলেছেন, জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে জাতীয় দলের জন্য শক্তিশালী পাইপলাইন তৈরি হবে। তিনি বলেন, ‘তারুণ্যের উৎসবের ব্যানারে আন্তঃজেলা জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফের শুরু হলো। এর মাধ্যমে শুধু জেলা পর্যায় নয়, ঘরোয়া ফুটবলও শক্তিশালী হবে। এখান থেকে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে বলে আমাদের বিশ্বাস। ’
৬৪ জেলার দলকে আটটি ‘পটে’ ভাগ করা হয়েছে, যেগুলোর নামকরণ করা হয়েছে জুলাই শহীদদের স্মরণে। তাবিথ আউয়াল তার বক্তব্য শুরু করেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। তিনি জানান, এই প্রতিযোগিতা চলার মধ্যেই মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৪ টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। সামনের পরিকল্পনায় রয়েছে ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৭ আসরও।
এবারের চ্যাম্পিয়নশিপের সভাপতি করা হয়েছে বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপিকে। তিনি বলেন, ‘আন্তঃজেলা ফুটবলের এই প্রতিযোগিতা জাতীয় দলের পাইপলাইনকে আরও শক্তিশালী করবে। ’
খেলাটিকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে বড় বাজেট নিয়ে নেমেছে বাফুফে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আলাদা আলাদাভাবে ৫ কোটি করে মোট ১০ কোটি টাকা দিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
দিনশেষে মাঠের লড়াইটা জমে ওঠে মাদারীপুর ও স্বাগতিক মুন্সিগঞ্জের দ্বন্দ্বে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে ১-১ সমতা বিরাজ করছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। তবে যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে গোল করে মুন্সিগঞ্জ নিশ্চিত করে ২-১ গোলের জয়। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রাউন্ডে কারা যাবে, তা নির্ধারণ হবে মাদারীপুরের মাঠে ফিরতি ম্যাচে।